ইতিহাস যখন বাস্তবতার দর্পণ

ভারত আক্রমণ সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল যে কারনে বিস্তারিত জানতে পড়তে হবে…

History is contemporary Subject

ইতিহাস শুধু সাল, রাজা আর যুদ্ধের গল্প নয়, ইতিহাস বর্তমানকে বোঝার সবচেয়ে শক্তিশালী আয়না। রাষ্ট্র পরিচালনা, অর্থনীতি, কূটনীতি, ক্ষমতার ভারসাম্য কিংবা মানুষের জীবনযাত্রা সবকিছুর শেকড়ই ছড়িয়ে আছে ইতিহাসের ভেতরে। 

বাজার দর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম জোরপূর্বক নাগালের মধ্যে রেখেছিলেন আলাউদ্দিন খলজি। উদ্দেশ্য ছিল স্পষ্ট জনগণ এবং সেনাবাহিনী, দুই পক্ষেরই যেন সুবিধা হয়।

নিজের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সুলতান মাহমুদকে আমরা বারবার (১৭ বার) আক্রমণ করতে দেখেছি; তবে এই আক্রমণের পেছনে যথেষ্ট যৌক্তিক কারণও ছিল। তৎকালীন সোমনাথ মন্দির ছিল অনেকটা আজকের ‘গণভবন’-এর মতো ক্ষমতার মূল কেন্দ্রবিন্দু। তার মানে, হিন্দুশাহী রাজবংশ এবং মুসলমানদের ওপর আক্রমণের সমস্ত ছক কষা হতো মূলত এই মন্দির থেকেই। আর ঠিক এ কারণেই ১০২৫-২৬ সালের দিকে সোমনাথ আক্রমণ ও লুণ্ঠন করে তাদের অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছিল। আপনি যদি শত্রুর দুর্বল জায়গাটা ধরতে পারেন এবং সেখানে আঘাত করে তাকে পঙ্গু করে দিতে পারেন, তবে সেটাই হবে আপনার সবচেয়ে বড় কৌশল। বর্তমান ইসরায়েলের দিকে তাকালে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন তারা কীভাবে জমি দখল করে নিজেদের সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখছে।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক হলো কৃষি। বাংলার এই ভূখণ্ডের মানুষের আদি পেশা মূলত মাছ ধরা (জেলে) হলেও, কালক্রমে তারা কৃষক হয়ে ওঠে। সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলক এই অঞ্চলে রাষ্ট্রীয়ভাবে কৃষি খামার গড়ে তুলেছিলেন, যা ছিল অত্যন্ত যুগোপযোগী একটি সিদ্ধান্ত। তাঁর তথাকথিত ‘উচ্চাভিলাষী’ আচরণের ইতিহাস পড়তে গিয়ে আমরা প্রায়ই তাঁর কৃষি মন্ত্রণালয় বা ‘দিওয়ান-ই-কোহি’ (Diwan-i-Kohi) প্রতিষ্ঠার মতো দূরদর্শী উদ্যোগের কথা ভুলে যাই।

অপরদিকে কুতুবুদ্দিন আইবেক, শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ এবং গিয়াসউদ্দিন বলবনও রাষ্ট্র পরিচালনায় দেখিয়ে গেছেন অসাধারণ সব ইতিহাস। সে গল্প না হয় অন্য কোনোদিন করা যাবে!

কালারফুল ও আরো সুন্দর করে পড়তে পারেন এবং নিতে পারেন ওয়েবসাইটের ফিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

activeAlamin

আল-আমিন

ডিজিটাল বিজনেস কনসালটেন্ট ও উদ্যোক্তা

ফলো করুন