
বাপের বিরুদ্ধে যুদ্ধ : বদর
এক অসম লড়াই ও বিশ্বাসের মহাকাব্য কল্পনায় একবার ফিরে যান আজ থেকে ১৪০২ বছর আগের সেই দিনটিতে। তারিখটি ছিল ১৭ই রমজান। আরবের তপ্ত মরুভূমির ধূ ধূ প্রান্তরে বইছে লু-হাওয়া। চারদিকে
কে আমি? কী আমার জীবনের উদ্দেশ্য? আমি কি সত্যিই Satisfied এখন আমি যা করছি তা নিয়ে? সঠিক উত্তর খুঁজতে চাই।
আপনি কি সত্যিই আপনি ? নাকি শুধু আপনার চাকরিটাই আপনি? সমাজ ও অন্যের দেওয়া কাজটা বাদ দিলে যা থাকে সেটাই আসল আপনি। ডেজিগনেশন চলে যাবে। তখন কী থাকবে?
হতাশা আর টেনশন বাদ দিয়ে, আজই শুরু হোক আপনার চিন্তার পরিবর্তনের যাত্রা।
আমরা অনেক সময় জানি- “এইটার সল্যুশন দরকার” কিন্তু ডিসিশন নিতে পারি না।
ডিসিশন নিতে হলে দরকার— নিজের সঠিক আইডেন্টিটির।
নিজেকে চিনলে মানুষ অন্ধ অনুকরণ থেকে বের হয়ে আসে। তখন সে সমাজ নয়, নিজের বিবেক দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। কনফিউশন কমে, সিদ্ধান্ত শক্ত হয়।
১. নিজের পরিচয় ও জীবনের উদ্দেশ্য বের করতে পারবেন।
২. সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেবার রোডম্যাপ পাবেন।
৩. আপনি নিজেই হয়ে উঠবেন নিজের ব্রান্ড
পর্যায়ক্রমে সাজানো ৩ ঘণ্টার বেশি প্র্যাকটিক্যাল ভিডিও লেসন, যেখানে প্রতিটা ভিডিও আপনি নিজের সাথে রিলেট করতে পারবেন। নিজের সময় অনুযায়ী শিখতে পারবেন যখন খুশি একদম ফ্রীতেই।
সাজানো ভিডিও গুলো দেখার পর আপনি যখন নিজের পরিচয় খুঁজে পাবেন তখন আপনার মতো যারা আছেন তাদের একটা কমন গ্রুপে এ্যাড হয়ে যাবেন আপনি। সেইসাথে বুঝতে পারবেন আসলেই আপনার কি করা উচিত।
জীবনের নতুন পরিচয় পেয়ে আপনি হবেন আনন্দিত। আইডেন্টিটির পর বের করবেন সেটার ভিত্তিতে ডেজিগনেশন। শুরু হবে আপনার পছন্দের পথচলা। ইউ আর দ্যা কিং অফ ইওর কিংডম।
ভিশন: শেখা এবং শেখানো। আমি বিশ্বাস করি এ্যামপ্যাথি নিয়ে মানুষের পাশে থাকা জরুরী। প্রকৃত সার্থকতা লুকিয়ে থাকে কন্ট্রিবিউশনে। সেটা পরিবারে থেকে বিশ্বজুড়ে। পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন প্রোগ্রেস এবং ইতিবাচক অভ্যাস। মানুষ ইউনিক, তাই তাকে বদলানোর প্রয়োজন নেই তাঁর দরকার স্বাভাবিক বিকাশের।
মোটিভেশন কেবল যাত্রা শুরু করায় আর হ্যাবিট আপনাকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। যারা বাস্তবসম্মত সিস্টেমে নিজেকে আপডেট করে, পৃথিবী তাদের ভালোবাসা ও গুরুত্ব দিয়ে পুরস্কৃত করে।

এক অসম লড়াই ও বিশ্বাসের মহাকাব্য কল্পনায় একবার ফিরে যান আজ থেকে ১৪০২ বছর আগের সেই দিনটিতে। তারিখটি ছিল ১৭ই রমজান। আরবের তপ্ত মরুভূমির ধূ ধূ প্রান্তরে বইছে লু-হাওয়া। চারদিকে

আমি এমিলীকে খুব বেশি প্রশংসা করি না। বাট এটা বুঝি যে করা উচিত। ওর রান্না, ওর ধৈর্য, ওর নীরব ত্যাগ এসবের জন্য হয়তো কখনো আলাদা করে বাহবা দেই না। দেওয়াটা

আমরা যখন আয়নার সামনে দাঁড়াই, তখন কাকে দেখতে পাই? একজন সিইও, একজন ম্যানেজার, নাকি একজন রক্তমাংসের মানুষকে? আমাদের সমাজের একটা বড় সমস্যা হলো, আমরা মানুষকে তার ভিজিটিং কার্ড দিয়ে বিচার
প্রতিদিনের নতুন তথ্য, ট্রেন্ড এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট পেতে আমাদের নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন।