চাকরির পেছনে দৌড়াচ্ছেন, কিন্তু প্ল্যান বি আছে তো?

চাকরির পেছনে দৌড়াচ্ছেন, কিন্তু প্ল্যান বি আছে তো?
হাজার হাজার পরীক্ষা দিয়েও হাতে চাকরি নেই এই গল্প এখন আর কারো কাছে নতুন না।
কারণটা কঠিন হলেও সত্যি। প্রতিযোগী লাখ লাখ, সিট মাত্র কয়েকশো। অনেক ক্ষেত্রে সুযোগ ১%-এরও কম। আর সেই ১%-এ টিকতে হলে MCQ-তেও ভুল করা চলবে না অথচ যেখানে কনফিউশন প্রশ্নে এমনিতেই ২৫-৫০% ভুলের সম্ভাবনা থাকে।
তাহলে শুধু চাকরির জন্যে পড়লেই কি হবে?
প্ল্যান বি মানে হার মানা না, বরং স্মার্ট হওয়া।
প্ল্যান বি মানে এই না যে চাকরির আশা ছেড়ে দিচ্ছেন। মানে হলো  চাকরি না হলে বসে থাকবেন না, অন্য একটা রাস্তাও তৈরি থাকবে।
কিন্তু এখানেই বেশিরভাগ মানুষ ভুল করেন।
হুট করে শুনলেন “ফ্রিল্যান্সিং করলে লাখ টাকা আয়” দৌড়ে গিয়ে একটা ১ মাসের কোর্স করে ফেললেন। কিন্তু মাস শেষে কিংবা মাস কয়েক পরে দেখলেন, কাজটা আপনাকে টানছেই না।
কারণ? কাজটা আপনার সাথে যায় না।
নিজেকে একটা প্রশ্ন করবেন আগে।
আমি কি এমন কাজ পছন্দ করি যেটা প্রতিদিন একইরকম? নাকি নতুন কিছু করতে ভালো লাগে?
আমি নিজে জানতাম, একই কাজ বারবার করা আমার দ্বারা হবে না। স্টুডেন্ট লাইফে টিউশন করেছি কিন্তু কোনোদিন গতি পাইনি সেখানে। তাই প্ল্যান বি হিসেবে বেছে নিয়েছিলাম ডিজিটাল মার্কেটিং। ডায়নামিক, প্রতিদিন প্রতি মাসে কিংবা সপ্তাহে নতুন কিছু একদম আমার চাওয়ার মতো করে।
আর মজার ব্যাপার হলো, এই মার্কেটিংই আমার অনার্সের সাবজেক্ট ইসলামের ইতিহাসের সাথেও সংযোগ তৈরি করে দিয়েছে। একাডেমিক আর প্রফেশনাল দুটো মিলে গেছে এক জায়গায়।
তাই প্ল্যান বি বাছাই করবেন অবশ্যই নিজের পরিচয় দেখে।
যে কাজটা আপনার স্বভাবের সাথে যায়, আপনার আগ্রহের সাথে মেলে সেটাকেই প্ল্যান বি বানান।
তাহলে শুধু সুবিধাই না, কাজের গতিও পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

activeAlamin

আল-আমিন

ডিজিটাল বিজনেস কনসালটেন্ট ও উদ্যোক্তা

ফলো করুন