স্কিলডদের নিরব আর্তনাদ

শোনার, দেখার, বোঝার ও সমস্যা সমাধানে কেউ নেই!
হাজার হাজার বা লাখ লাখ বেকার দেখে আমার কোনো হতাশা নেই। তাদের প্রতি কিছু বলারও নেই। অনেক বেকারকেই দেখেছি কাজের আগ্রহ দেখাতে, অথচ আদতে কাজে দিলে তখন তাদের মন থাকে আকাশে-বাতাসে। কষ্টটা লাগে তখন, যখন দেখি কোনো জুনিয়র স্কিলড মানুষ বসে আছে কাজ না পেয়ে। তাদের কাজের ধরন ভালো, রিভিউ ভালো, প্রশংসাও অনেক পেয়েছে এবং যে কাজগুলো করছে, সেগুলো রেফারেন্স হিসেবেই অধিকাংশ সময় ব্যবহার হয়।
আমার মনে হয়, এরাও হয়তো একটা সময় হতাশ হয়ে পড়ে। আসলে সমস্যাটা কোথায়  নিজের স্কিলে, নাকি নিজেকে সেল করতে না পারার জায়গায়?
আবার যারা কোনোমতো কাজ পারে কিন্তু সেলে ভালো, তারা হয়তো কাজটা করে যাচ্ছে অনায়াসে। শেক্সপিয়রের সেই কথাটার মতোই যেন —
Some rise by sin, and some by virtue fall (পাপেই উত্থান, আর পুণ্যেই যেন পতন।)
আমি আশা রাখি এবং চেষ্টা করেই যাচ্ছি, যেন এই কাজপাগল ও নিজে থেকে কাজ করা মানুষগুলো সবসময় ভালো কিছু করতে পারে। এরা আসলে পাগল বলেই এখানে বসে থাকে, কাজ করে যায়। কিছু সময় টাকা পায়, আবার সেই টাকা দিয়েই বেশ কিছুদিন চলে। কাজ না থাকলে ঋণ করে, কষ্ট করে। কারো কাছে চাইতেও লজ্জাবোধ করে। অনেক সময় কল্পনায় আমি এদের জায়গায় চলে গিয়ে কষ্টটা অনুধাবন করার চেষ্টা করি।
….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

activeAlamin

আল-আমিন

ডিজিটাল বিজনেস কনসালটেন্ট ও উদ্যোক্তা

ফলো করুন