বাংলাদেশে ৯৭% ধর্ষক বিচারে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বের হয়ে আসে।
অপরাধ করে উকিল ধরে। উকিল তারে বাঁচায়ে দেয়। যার যত টাকা, তার তত বড় উকিল। যত বড় উকিল, তত তাড়াতাড়ি মুক্তি। যত দিন এই আইনজীবীনির্ভর বিচারব্যবস্থা থাকবে, সব ক্ষেত্রে তত দিন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব না।
সত্যের চেয়ে মক্কেলের স্বার্থ বড়
যে ব্যবস্থায় সত্যের চেয়ে মক্কেলের স্বার্থ বড়, এবং একমাত্র তারই স্বার্থ রক্ষা করা হয়, সে ব্যবস্থায় আর যাই হোক, দোষী ফাঁকফোকর দিয়েই বের হয়ে যাবেই যাবে। দিনশেষে শাস্তি হবে না প্রকৃত দোষীর।
কোনো রেফারেন্স নাই আমাদের কাছে। এজন্যই রামিসার বাবা বলছেন-
“আপনারা পারবেন না, বড়জোর ১৫ দিন থাকবে জিনিসটা।”
আইন আর নৈতিকতা- দুইটা আলাদা জিনিস
আইনের সাথে নৈতিকতার কোনো সম্পর্ক নাই। দুইটা দুই জিনিস। এ দেশে আইন কেবলই একটা বিশেষ শ্রেণীর স্বার্থ রক্ষা করে।
আইন দিয়ে মূলত সাধারণ মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং চুপ রাখা হয় এই বলে যে-
“এই যে বিচার হচ্ছে, কোর্টে তোলা হচ্ছে, কাজ হচ্ছে, আর কিছুদিন।”
এই যে সময়টা ব্যয় হচ্ছে, এই সময়ে ব্রিটিশের করা কেরানি শ্রেণী তথাকথিত এলিট সেজে টাকা কামাচ্ছে।
কোনো রেফারেন্স নাই আমাদের কাছে -শুধু আছে বাস্তবতা।