আমি এমিলীকে খুব বেশি প্রশংসা করি না। বাট এটা বুঝি যে করা উচিত। ওর রান্না, ওর ধৈর্য, ওর নীরব ত্যাগ এসবের জন্য হয়তো কখনো আলাদা করে বাহবা দেই না। দেওয়াটা খুবি জরুরী বলে মনে করি কিন্তু হয়না দেওয়া। স্বীকৃতি দেওয়ার ভাষা আমার জানা নেই, বা হয়তো আমি অভ্যাস করি নাই।
আমরা যখন আয়নার সামনে দাঁড়াই, তখন কাকে দেখতে পাই? একজন সিইও, একজন ম্যানেজার, নাকি একজন রক্তমাংসের মানুষকে? আমাদের সমাজের একটা বড় সমস্যা হলো, আমরা মানুষকে তার ভিজিটিং কার্ড দিয়ে বিচার করি। কিন্তু ভিজিটিং কার্ডের ওই ছোট কাগজটা কি আসলেই আমাদের পুরোটা ধারণ করতে পারে? আজকাল আমরা ডেজিগনেশন বা পদবীকে আমাদের
২০২৬ সালটা আর দৌড়াদৌড়িতে কাটাতে চাই না। এবার থাকতে চাই পারপাসে বা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে। তবে ২০২৫ সালের মতো এই উদ্দেশ্য শুধু আমার নিজের জন্য নয়। আমার লক্ষ্য হলো, ২০২৬ জন মানুষের পারপাস বা জীবনের লক্ষ্য খুঁজে বের করতে সাহায্য করা। আমাদের চারপাশে অনেক মানুষ ভীষণ কষ্টে আছেন। এই কষ্টের মূল
কি কর তুমি? কোথায় আছ এখন? যখন কাউকে বলি যে আমি ইসলামিক হিস্ট্রি এ্যান্ড কালচারে পড়ছি, তখন সামনের মানুষটির চেহারায় এক ধরণের হতাশা ফুটে ওঠে। এই দৃশ্যটি আমাকে ভাবিয়ে তোলে। কেন একটি জাতির নিজের গৌরবময় ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করাটা অন্য একজনের কাছে হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়? আপনার মূল পরিচয় কী?
আজ ১৬ই ডিসেম্বর। ক্যালেন্ডারের পাতায় শুধুই একটি দিন নয় বরং আমাদের অস্তিত্বের জানান দেওয়ার দিন। একাত্তরে আমরা লড়েছিলাম ভূখণ্ডের স্বাধীনতার জন্য আর আজ ২০২৪ সালে আমাদের লড়াই অর্থনৈতিক ও দক্ষতা অর্জনের স্বাধীনতার জন্য। বিজয় মানেই তো এগিয়ে যাওয়া। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই দেশে আজ আমরা যখন ডিজিটালি বিশ্ব
বেগম রোকেয়ার বাড়িতে বাংলা বলাটাকে ঘৃণা করা হতো। তারা ছিল অভিজাত শ্রেণীর। ভাষা ছিল মূলত আরবি,ফারসি আর ইংরেজি।বেগম রোকেয়া চুরি করেই বাংলা শিখতো বলা যায় একদিন বাবার কাছে ধরা খান উনি বাংলা শিখতে গিয়ে। তবে বাবা তাকে কিছুই না বলে বরং শেখার সুযোগ করে দেন। মূলত তার বাংলা লেখার হাতপাকা
এখন ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার ধুম পড়ে গেছে। অনেকটা সরকারী চাকরি প্রত্যাশী আর বিদেশগামীদের মতোই। সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করলেই হাজারো চটকদার বিজ্ঞাপন আর তাবিজ বিক্রেতাকে চোখে পড়ে। ঘরে বসে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন, ফ্রিল্যান্সিং করে স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প। আর এই স্বপ্নের ফাঁদে পা দিয়ে অনেকেই নিজেদের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে কোর্স কিনছেন।
আমরা সবাই একই ফাঁদে পড়েছি। হাতে ফোন নেওয়া মাত্রই স্ক্রল করা শুরু। বিছানায়, টয়লেটে,বাসে কিংবা খাবার খেতে বসে। কোনো খানেই যেন বাদ যায়না ফোনটা আমার।একটা রিলস শেষ হতে না হতেই আরেকটা, তারপর আরেকটা। সময় কীভাবে চলে যায়, তা টেরও পাওয়া যায় না। আপনি হয়তো ভাবছেন, কেন এমন হচ্ছে? কেন আপনার
সিস্টেমের কারণেই মানুষ এত বৈচিত্র্যময় এবং সুন্দর। মহান আল্লাহর তৈরি এই সিস্টেমের গভীরতা অসীম। আল্লাহ তায়লা যদি আমাদের প্রতিটি অপরাধের সাথে সাথেই শাস্তির বিধান রাখতেন তবে পৃথিবীটা অন্যরকম হতো। মানুষ তখন ভয়ে ট্রমাটাইজড হয়ে যেত এবং একদম রোবটের মতো আচরণ করত। ভয়ের কারণে তখন আর মানুষের স্বাভাবিকতা বা বৈচিত্র্য থাকত
ইতিহাসের পাতায় মক্কার কুসাই ইবনে কিলাব এক অবিস্মরণীয় নাম। তিনি কেবল একজন নেতাই ছিলেন না, বরং তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এক অনন্য শাসনব্যবস্থা, যার নাম ‘দারুন নাদওয়া’ বা বর্তমান যুগের পার্লামেন্ট হাউসের আদিরূপ। ভাবলে অবাক হতে হয় যে, সেই প্রাচীন সময়েও তাদের দপ্তরগুলো কত সুশৃঙ্খল ছিল। সেখানে রিফাদাহ নামের একটি বিভাগ
আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে পকেটের টাকার চেয়ে মোবাইল অ্যাপ বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ডিজিট অনেক বেশি ভারী। আমরা সবাই কমবেশি সেই ডিজিট বাড়ানোর দৌড়েই আছি। কিন্তু এই ডিজিট বাড়াতে গিয়ে আমরা কি জীবনের আসল সম্পদ হারাচ্ছি না? টাকার হিসাব বনাম সময়ের হিসাব আমার মনে হয়, টাকা-পয়সার হিসাব জীবনে
আমরা সবাই জীবনে সফল হতে চাই, বড় হতে চাই। কিন্তু কতজন সত্যিই জানি যে আমরা ঠিক কী চাই? অথবা যা চাই, তা কি সত্যিই আমাদের চাওয়া, নাকি সমাজ, সংস্কৃতি বা চারপাশের মানুষের দ্বারা প্রভাবিত? প্রায়ই আমরা এমন সব লক্ষ্য ঠিক করি, যা আসলে আমাদের ভেতরের সত্তার সাথে মেলে না। ফলাফল?
Meta’s upcoming 2025 Creative Strategy, known as the ‘Andromeda Update,’ is poised to create a significant paradigm shift in digital marketing. This strategy is not a singular change but a robust ecosystem built on four interconnected pillars. This new framework is designed to elevate business communication from broad targeting to
আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, তিনটি ব্র্যান্ডই দাঁত পরিষ্কার করার পেস্ট বিক্রি করে, তবুও তাদের বিজ্ঞাপন, রঙ এবং গল্প সম্পূর্ণ আলাদা কেন? বেশিরভাগ ব্যবসাই এখানে ভুল করে। তারা ভাবে তাদের একটি “প্রোডাক্ট” আছে। কিন্তু সত্যি হলো, সফল ব্র্যান্ডগুলো কখনো “প্রোডাক্ট” বিক্রি করে না, তারা “সলিউশন” বা “অনুভূতি” বিক্রি করে। টুথপেস্টের
তাকে নিয়ে লিখলে লিখার শেষ হবে না, সে আমার জীবনের সবচেয়ে শান্তির প্রতীক প্রিয়তমা ইমমমম। আমরা জানি, ভালোবাসা মানে শুধু পাওয়া নয়, বরং প্রতিদিন কিছু না কিছু দেওয়া। আমরা দিই, আমরা গ্রহণ করি, আমরা সহ্য করি, আবার সার্ভাইভও করি। খুশিগুলো তুলে ধরি আর ছড়িয়ে দিই। তাকে দিতে চাই নিশ্চয়তা, দিতে