অনেক সময় কাপড় আপনাকে, জামাকাপড়, শার্ট আপনার কনফিডেন্স কমাইয়া দেয়। হ্যাঁ, আপনি শার্ট পরছেন-ধরেন, আপনার L সাইজ পরার কথা, পরছেন হচ্ছে S সাইজ। দেখবেন, আপনার কনফিডেন্স অলরেডি কমে গেছে।
তারপর আপনার জুতাটা যদি একটু ভালো মানের না হয়, একটু উঁচু না হয়, যদি একদম মানে চপ্পল টাইপের এবং মাটির সাথে লেগে থাকা টাইপের হয় আরকি। মানে, আমরা যে ছোটবেলায় কিনতাম মানে ছোটবেলায় বলতে পাঁচ-ছয় বছর, সাত বছর আগে কিনতাম Lottor জায়গায় টোট্টো লেখা আরকি। মুচির কাছে পাওয়া যায়।
তো, এটা একটা বিশাল ব্যাপার যে আপনি যখন আপনার পোশাক, তারপর আপনার জুতা, তারপর আপনার হচ্ছে হেয়ার কাটিং, হেয়ার স্টাইল এবং হচ্ছে আপনি যখন আপনার স্বাভাবিক শরীরচর্চা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বাইরে থাকবেন, তখন আপনার কনফিডেন্স অনেক নিচে নেমে থাকবে।
তুলনামূলকভাবে, আপনি যখন অনেক ক্লিন থাকবেন, আপনার জামাকাপড়টা যখন ইস্ত্রি করা থাকবে, আপনার শরীরের মাপ অনুযায়ী থাকবে, আপনার স্যান্ডেল বা জুতাটা যখন আপনার একটু বড় মাপের হবে, তখন দেখবেন যে অটোমেটিক আপনার মধ্যে একটা কনফিডেন্স কাজ করছে আরকি।
আবার দেখবেন যে আপনি যখন জুতা-মোজা, প্যান্ট, টাই পরে, যখন আবার ইন করে ফরমাল ড্রেসে গেটআপে থাকবেন, তখন দেখবেন আরেক ধরনের ভালোবাসা, ভালো লাগা কাজ করবে আপনার। যেটা আপনার নিজের কনফিডেন্সকে অনেক বেশি গ্রো করতে সহায়তা করবে। শেখ সাদীর সেই ড্রেসের গল্প এখন আর যাই হোক রেলেভেন্ট না মোটেও…