যখন কেউ মন থেকে সৃষ্টিকর্তার কাছে কোনো কিছু চায়, তখন সেই জিনিসটা তাকে পাইয়ে দিতে চান। আর আল্লাহ তায়ালা চান, মানুষ তাঁর কাছেই চেয়ে নিক। এটা তিনি সবসময়ই চান।
তো যিনি আসলে আমাদের বানিয়েছেন, তিনি নিজেই যদি চান যে আমরা আমাদের মতো করে জিনিসগুলোকে গুছিয়ে নিই, আমাদের মতো করে ভাবতে পারি, চিন্তা করতে পারি অবশ্যই ইতিবাচক জিনিসের ক্ষেত্রে তাহলে অবশ্যই আমাদের মা-বাবাদেরও উচিত এই জায়গাটাতে ছেলে-মেয়েদের বাধা না দেওয়া।
একটা বিষয় আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। আমরা সবসময় নিজেদের মতো করে চিন্তা করি। এমনকি আরেকজনের ভালো থাকার বিষয়টাও আমরা নিজেদের মতো করে চিন্তা করি। বাট, আরেকজনের ভালো থাকাটা কখনোই নিজের মতো করে চিন্তা করে নিশ্চিত করা যায় না। আমাদের চিন্তা করতে হয়, সে কীভাবে ভালো থাকবে।
বাবা-মা সবসময়ই ছেলে-মেয়েদের ভালো চান। বাট কী করলে তাদের ভালো হবে, তারা এখন কী চাচ্ছে সেই জিনিসটা হয়তো অনেক সময় বাবা-মা বুঝতে পারেন না।
তাই আমাদের উচিত সত্যিকার অর্থে বোঝা যে, প্রতিটা মানুষ আলাদা, ইন্ডিভিজুয়াল। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট আলাদা, তাদের আইরিস আলাদা, তাদের চিন্তা-চেতনা আলাদা, তাদের পার্সোনালিটি আলাদা।
সুতরাং আমাদের প্রতিটা মানুষকে আলাদাভাবে ট্রিট করা উচিত এবং প্রতিটা মানুষকে তার যথাযথ সম্মান ও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
আর তখনই কেবল সবকিছু সুন্দর হয়ে উঠবে।